স্পেন দলে সুযোগ না পেয়ে বিশ্বকাপের প্রথম কয়েক ম্যাচ দেখেনইনি ফেরমিন লোপেজ
· Prothom Alo

ক্যারিয়ারের সেরা সময় চলছিল। আত্মবিশ্বাস ছিল। ছন্দ ছিল। সবকিছুই এগোচ্ছিল পরিকল্পনামতো। ঠিক তখনই এক চোটে বদলে গেল সবকিছু। বিশ্বকাপজয়ী স্পেন দলের অংশ হওয়া হলো না বার্সেলোনার ২৩ বছর বয়সী মিডফিল্ডার ফেরমিন লোপেজের।
যে মঞ্চে তাঁর থাকার কথা ছিল, সেই মঞ্চের আনন্দ তাঁকে দেখতে হয়েছে দূর থেকে। সেই সময়টা নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন ফেরমিন। জানিয়েছেন, বিশ্বকাপে স্পেনের প্রথম কয়েকটি ম্যাচ দেখার মানসিক শক্তিও তাঁর ছিল না।
Visit rouesnews.click for more information.
ইংল্যান্ডে বার্সেলোনার প্রাক্-মৌসুম ক্যাম্পে বসে কাতালুনিয়া রেডিওর ‘টট কস্টা’ অনুষ্ঠানে নিজের সেই কঠিন সময় নিয়ে বলেছেন ফেরমিন। জানিয়েছেন, কীভাবে ধীরে ধীরে সেই ধাক্কা সামলে উঠেছেন, ‘এটা আমার জীবনের সবচেয়ে বাজে গ্রীষ্ম ছিল। আমি আমার সেরা ফর্মে ছিলাম। সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। তখনই চোটে পড়লাম। এমন পরিস্থিতি অনেক কিছু শেখায়। তবে সত্যি বলতে, গ্রীষ্মটা আমার খুব কষ্টে কেটেছে।’
এবার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেনবিশ্বকাপ শুরু হলেও টেলিভিশনের সামনে বসার মানসিক শক্তি ছিল না ফেরমিনের। প্রথম কয়েকটি ম্যাচ তিনি দেখতেই পারেননি। সে অভিজ্ঞতা তিনি তুলে ধরেছেন এভাবে—‘স্পেনের প্রথম কয়েকটা ম্যাচ আমি দেখতেই পারিনি। মনকে বোঝাতে পারছিলাম না। আমিও তো ওখানে থাকতে চেয়েছিলাম!’
বার্সেলোনা ছেড়ে আবার ইউনাইটেডে রাশফোর্ডতবে বিশ্বকাপে সময় যত গড়িয়েছে, তত মনের ভার কমেছে ফেরমিনের। খেলা দেখতে শুরু করার পর একপর্যায়ে ছুটে যান বিশ্বকাপের দেশ যুক্তরাষ্ট্রেই। নিউ জার্সি–নিউইয়র্ক স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বসে দেখেন স্পেন–আর্জেন্টিনা ফাইনালও, ‘আমার সতীর্থরা যে খেলতে পারছে, সেটা দেখে ভালো লাগছিল। বিশ্বকাপের শেষ দিকে ভালো লাগায় ফাইনাল দেখতে চলে যাই।’
এত বড় মানসিক ধাক্কা একা সামলানো কঠিন ছিল। ফেরমিনও একা থাকার চেষ্টা করেননি। তিনি সাহায্য নিয়েছেন একজন মানসিক বিশেষজ্ঞের। পাশে পেয়েছেন পরিবার, সঙ্গী ও বন্ধুদেরও। তাঁদের সমর্থনই কঠিন সময় পার করতে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছেন ফেরমিন, ‘পরিবার, সঙ্গী আর বন্ধুদের জন্যই আমি এই সময়টা পার করতে পেরেছি। আমার সত্যিই সাহায্যের প্রয়োজন ছিল।’
আলভারেজকে নিয়ে বার্সেলোনার বিরুদ্ধে ফিফায় অভিযোগ আতলেতিকোর