টম ক্রুজের মেয়ে সুরি কেন নিজের নাম বদলে ফেললেন

· Prothom Alo

হলিউড অভিনেতা টম ক্রুজ ও অভিনেত্রী কেটি হোমসের একমাত্র মেয়ে সুরি ক্রুজ। তবে এখন থেকে আর তাঁকে সুরি ক্রুজ ডাকা যাবে না, আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের নাম পরিবর্তন করেছেন, নতুন নাম সুরি নোয়েল। কেন নাম বদলালেন?

২০১২ সালে টম ও কেটি হোমসের বিচ্ছেদের পর থেকে নিউইয়র্ক সিটিতে মায়ের সঙ্গে থাকেন সুরি নোয়েল

মার্কিন গণমাধ্যম বলছে, পেনসিলভানিয়ার ভোটার নিবন্ধনের নথিতে ২০ বছর বয়সী সুরির নাম নিবন্ধিত হয়েছে সুরি নোয়েল নামে। এ ছাড়া ২০২৪ সালে সুরি তাঁর হাইস্কুলের স্নাতক অনুষ্ঠানেও একই নাম ব্যবহার করেছেন।

Visit betsport.cv for more information.

মা কেটি নোয়েল হোমসের মধ্যনামটি নিজের পরিচয় হিসেবে যুক্ত করেছেন সুরি। নতুন এই নাম ব্যবহারের মাধ্যমে স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তোলার পাশাপাশি মায়ের প্রতি সম্মানও প্রকাশ করেছেন।

কেটি হোমস খুব কমই প্রকাশ্যে তাঁর মেয়েকে নিয়ে কথা বলেন। তবে যখনই বলেন, তখন সুরির প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা, মেয়ের বিশেষত্ব এবং মা-মেয়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথাই তুলে ধরেন।

মায়ের কোলে ছোট্ট সুরি নোয়েল

২০১৯ সালে দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেটি হোমস বলেছিলেন, ‘মায়ের সঙ্গে আমার খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, আর আমার মেয়ের সঙ্গেও সম্পর্কটা তেমনই। মেয়েকে বড় করে তোলার সময় মায়ের কাছ থেকে অনেক পরামর্শ নিয়েছি।’

বর্তমানে সুরি যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের পিটসবার্গের কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন।

সালমান খানের খামারবাড়িতে কী আছে? ১০ ছবিতে ঘুরে দেখুন ‘ভাইজান’-এর প্রিয় ঠিকানা

হলিউডের বিখ্যাত দম্পতির সন্তান হলেও নিজেকে সব সময় প্রচারবিমুখ রেখেছেন সুরি নোয়েল। ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে নিউইয়র্ক সিটিতে ‘হ্যাপি আওয়ারস’ সিনেমার শুটিং সেটে এবং নিউইয়র্কের রাস্তায় মা-মেয়েকে একসঙ্গে দেখা যায়।

এক ফ্রেমে কেটি হোমস, টম ক্রুজ ও সুরি নোয়েল

সুরি পৃথিবীতে আসার সাত মাস পর ২০০৬ সালের নভেম্বরে বিয়ের পর্বটা সারেন টম ক্রুজ ও কেটি হোমস। ২০১২ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়।

বিচ্ছেদের পর থেকে সুরি মূলত মায়ের কাছেই বড় হয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরেই বাবা-মেয়ের সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে আলোচনা আছে। মেয়ের নাম পরিবর্তনের ব্যাপারে বাবা টম ক্রুজ কিংবা মা কেটি হোমস কেউই কোনো মন্তব্য করেননি।

সূত্র: এমএসএন

যেভাবে বয়সকে বাগে এনেছেন টম ক্রুজ

Read full story at source