ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসব বন্ধে প্রয়োজনীয় সব করা হবে: ধর্মমন্ত্রী

· Prothom Alo

ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়নের ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাকর বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।

শনিবার সকালে ঢাকার আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে জাতীয় ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ধর্মমন্ত্রী।

Visit casino-promo.biz for more information.

সম্মেলন শেষে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, বলাৎকার ইস্যু, চুমু দেওয়ার ইস্যু নিয়ে দেশব্যাপী সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি মন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে কি না এবং এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে?

জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘আমি কিছুটা লক্ষ করেছি। আমি তো চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে ছিলাম। ওখান থেকে কিছুটা লক্ষ করেছি, দেশে এসেও লক্ষ করেছি। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাকর এবং আশা করি ভবিষ্যতে এ জিনিসটা ঘটবে না বলে আমি বিশ্বাস করি। আমরা সে ব্যাপারে যা করা প্রয়োজন, তাই করব।’

ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ইমাম সাহেবরা যদি খুতবায় এ বিষয়গুলো উল্লেখ করে এবং শরিয়তের নির্দেশ অনুযায়ী কোনটা হারাম, কোনটা হালাল, কোনটা কী এগুলো বুঝায়, এটা অনেক কাজে লাগবে। …আমরা চেষ্টা করতেছি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন। উনি আমাদেরকে নির্দেশনাও দিয়েছেন যাতে এই জিনিসগুলো থেকে আমরা বেঁচে থাকতে পারি।’

সংগঠনের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশন উপলক্ষে এই সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি।

খুতবায় মাদক, ঘুষ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরি

এর আগে জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে সমাজ থেকে মাদক, ঘুষ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, জিনা ও অন্যায়-অবিচার দূর করতে জুমার খুতবার মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরিতে ইমামদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান ধর্মমন্ত্রী।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধর্মমন্ত্রী বলেছেন, সমাজের বিভিন্ন অন্যায় ও অনৈতিকতা দূর করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি ইমামদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সাধারণ মানুষ ইমামদের কথা পরম আস্থার সঙ্গে শোনে ও বিশ্বাস করে।

টঙ্গীতে মাদ্রাসায় শিশুকে যৌন নিপীড়নের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ

সম্মেলনে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবকদের আর্থিক সুরক্ষা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ধর্মীয় নেতাদের পর্যায়ক্রমে সরকারি সম্মানী কাঠামোর আওতায় আনা হবে।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন। বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা কাজী আবু হুরায়রার সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম জামাল, বিএনপির চেয়ারপারসনের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক উপদেষ্টা এনামুল হক চৌধুরী, সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আবুল হাসান এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহিল বাকী নদভী প্রমুখ।

‘কিসের চুমু রে’ বলে মাদ্রাসাশিক্ষককে থাপ্পড়ের ভিডিও ভাইরাল, থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

Read full story at source