সময়ের শূল-ধ্বনি

· Prothom Alo

বটের ছদ্মবংশ পরিচয় দিয়েছিল সে—আকাশ-আটকানো শেকড়ের আত্মজীবনী শুনিয়েছিল দীর্ঘক্ষণ...

ছায়ার নাগরিকত্ব চাইতেই দেখি, সবুজ কেবল তার মুখোশ; ভেতরে সে এক কণ্টকগ্রহ—সবুজের ছদ্মবেশে দাঁড়িয়ে আছে একটি দীর্ঘ ক্যাকটাস; হৃদয়ের প্রতিটি কোষে থোকা থোকা কাঁটার কৃষি।

যেখানে প্রতিটি স্পন্দন ক্যাকটাসের গোপন চারণভূমি—ব্যথাকাঁটা। বাক্যকাঁটা। তালকাঁটা। বিলকাঁটা। স্মৃতিকাঁটা। মাথাকাটা! সভ্যতার জিভেয় আটকে থাকা অদৃশ্য শূল-পরাগ।

রক্তের ভেতর জন্ম নেওয়া অদৃশ্য কণ্টকলিপি! তার স্পর্শে জলও মরুভাষা শিখে যায়, বাতাস নিজের ফুসফুস নিজেই নির্বাসিত করে।

একদিন, পাণিপীড়িতের সুমধুর শীৎকারে বুকের গহ্বর খুলে গেল—তখন কণ্ঠের অতল উল্টে দিয়ে উগরে দিই—বহুযুগের অজগর!

বটের মুখোশ খুলতেই দৃষ্টিগোচর হলো—ক্যাকটাসের রক্তস্নান; বুঝলাম—সে কেবল নিজের অহংকারে জন্মানো এক নির্জন কণ্টক-উপনিবেশ।

Visit afnews.co.za for more information.

Read full story at source