ইউরোপ কেন স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি নিতে পারে না

· Prothom Alo

ইউরোপ এক বিস্ময়কর বৈপরীত্য তথা প্যারাডক্সের ‘লীলাভূমি’। প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন জনসংখ্যা (পৃথিবীর ১২ শতাংশ), বিশ্ব জিডিপির ২৫ শতাংশ, একটি সুবিশাল একক বাজার, উন্নত শিল্পকারখানা এবং উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সম্পদ নিয়ে এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তি। তা সত্ত্বেও বিষয়টি যখন বাণিজ্য ও অর্থনীতি থেকে যুদ্ধ, শান্তি ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার দিকে মোড় নেয়, তখন ইউরোপকে প্রায়ই সম্মিলিত ও জোরালো সুরে কথা বলতে অক্ষম বলে মনে হয়।

এর কারণ কী? মার্কিন অর্থনীতিবিদ জেফরি স্যাক্স ২০২৫ সালে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে দেওয়া এক ভাষণে বলেন, ইউরোপের একটি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করার মতো পর্যাপ্ত সম্পদ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর গভীরভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। তাঁর মূল বার্তাটি সহজ: ইউরোপের উচিত নিজস্ব একটি ‘ইউরোপীয় পররাষ্ট্রনীতি’ গড়ে তোলা, অন্য কোনো শক্তির হাতে নিজের পররাষ্ট্রনীতি সঁপে দেওয়া নয়।

Visit extonnews.click for more information.

প্রফেসর স্যাক্স বলেন, ইউরোপ আমেরিকার ‘পক্ষে’ নাকি ‘বিপক্ষে’ থাকবে, প্রশ্নটি তা নিয়ে নয়; বরং প্রশ্ন হলো—ওয়াশিংটনের স্বার্থের সঙ্গে ইউরোপের নিজের স্বার্থ কখন মিলছে আর কখন মিলছে না, তা নিজের শক্তিতে নির্ধারণ করার মতো সক্ষমতা ইউরোপের আছে কি না।

ইউরোপ কেন, কীভাবে এতটা নির্ভরশীল হয়ে পড়ল? ইউরোপের এই দুরবস্থা বা নির্ভরতার কারণগুলো বোঝা কঠিন নয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপ অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল এবং সাময়িকভাবে সামরিক নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় নিরাপত্তার প্রধান গ্যারান্টার হয়ে ওঠে এবং ১৯৪৯ সালে ন্যাটো গঠনের মাধ্যমে এ সম্পর্ক একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়।

স্নায়ুযুদ্ধের সময় এ ব্যবস্থার একটি স্পষ্ট কৌশলগত যৌক্তিকতা ছিল: সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিল একটি বিশাল সামরিক শক্তি আর যুক্তরাষ্ট্র সেই সামরিক সক্ষমতা জোগান দিয়েছিল, যা ইউরোপীয় দেশগুলোর পক্ষে সহজে নিজেদের তৈরি করা সম্ভব ছিল না।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

কিন্তু তিন দশকের বেশি সময় আগে স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হয়েছে। সোভিয়েত ইউনিয়ন বিলুপ্ত হয়েছে, ওয়ারশ চুক্তি ভেঙে গেছে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি বড় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোটে পরিণত হয়েছে। তা সত্ত্বেও ন্যাটো কেবল টিকেই থাকেনি, বরং এর সীমানা আরও প্রসারিত হয়েছে।

ঠিক এখানেই মার্কিন অধ্যাপক জন মেয়ারশেইমারের যুক্তিগুলো প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। মেয়ারশেইমারের রিয়ালিস্ট তত্ত্ব অনুসারে, মহাদেশীয় বা বিশ্বশক্তিগুলো তাদের সীমান্তের কাছাকাছি সামরিক জোটের বিস্তারকে অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে দেখে। তিনি যুক্তি দেখিয়েছেন, ২০০৮ সালে ইউক্রেন ও জর্জিয়া চূড়ান্তভাবে ন্যাটোর সদস্য হবে—এমন ঘোষণা ছিল ইউক্রেন সংকটের একটি বড় মোড়। তাঁর মতে, পশ্চিমা নীতিনির্ধারকেরা ধারণা করতে পারেননি যে রাশিয়া ইউক্রেনে ন্যাটোর বিস্তারের বিরুদ্ধে কতটা খড়্গহস্ত হবে।

নোয়াম চমস্কি বিষয়টিকে দেখেছেন ভিন্ন দৃষ্টিতে। তবে তিনিও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর যুক্তি হলো—সোভিয়েত হুমকি বিলীন হওয়ার পর ন্যাটো বিলুপ্ত করা যেত, কিন্তু এর ধারাবাহিক সম্প্রসারণ ইউরোপকে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটি স্বাধীন তৃতীয় শক্তি হিসেবে গড়ে উঠতে বাধা দিয়েছে। তিনি এটিকে ‘অ্যাটলান্টিকবাদী’ কাঠামোর সঙ্গে তুলনা করেছেন, যেখানে ইউরোপীয় নিরাপত্তা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গভীরভাবে আবদ্ধ থাকে।

ইউরোপ আরেকটি ব্যর্থ বছর সহ্য করতে পারবে নাইউক্রেন থেকে যেভাবে ফায়দা লুটছে আমেরিকা–ইউরোপ

এভাবেই স্যাক্স, মেয়ারশেইমার ও চমস্কি ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে প্রশ্নটি ব্যাখ্যা করেছেন। স্যাক্স ইউরোপের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের ওপর জোর দেন; মেয়ারশেইমার আলোকপাত করেন পরাশক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও নিরাপত্তাসংকটের ওপর; আর চমস্কি প্রশ্ন তোলেন মার্কিন নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক ব্যবস্থার মূল কাঠামোটি নিয়েই।

ইউক্রেন সংকট এ প্রশ্নকে আরও অপরিহার্য করে তুলেছে। স্যাক্স যুক্তি দেখিয়েছেন, ন্যাটোর সম্প্রসারণ এবং বিকল্প কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণে ব্যর্থতা এই সংকট তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে, যার ফলে আলোচনার সুযোগগুলো হাতছাড়া হয়েছে।

ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার সাম্রাজ্য সম্প্রসারণ করতে চান এবং ইউরোপের সীমান্তবর্তী দেশগুলোয় আক্রমণ করতে চান—ইউরোপের নেতাদের এমন ধারণাকে তিনি শিশুসুলভ চিন্তা এবং মার্কিন প্রোপাগান্ডা বলে অভিহিত করেন। যুদ্ধ শুরুর প্রথম সাত দিনেই আলোচনা শুরু হয়েছিল এবং রাশিয়ার শর্তে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি রাজি ছিলেন। কিন্তু মার্কিন নির্দেশে তিনি আলোচনার টেবিল থেকে উঠে যান।

ইউরোপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা করতে লন্ডন সম্মেলনে যোগ দেন বিভিন্ন দেশ ও জোটের নেতারা। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও এই সম্মেলনে অংশ নেন

এখন ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য ইউরোপ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অস্ত্র কিনছে। ফলে মার্কিন অস্ত্র ব্যবসায়ীদের রমরমা অবস্থা। তারা আরও জোরালোভাবে ট্রাম্পকে সমর্থন করছে। জার্মানিসহ ইউরোপের যেসব দেশ রাশিয়া থেকে তেল ও গ্যাস কিনত, তারা এখন চড়া দামে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তা কিনছে। ন্যাটোর সম্প্রসারণ, পুতিনকে খুঁচিয়ে যুদ্ধে প্ররোচিত করা এবং আলোচনার টেবিলে বসতে না দেওয়ার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ছিল—জেফ্রি স্যাক্সের এ বক্তব্য প্রণিধানযোগ্য। ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে এত ক্ষতির সম্মুখীন হয়েও ইউরোপের যুক্তরাষ্ট্রনির্ভরতা আরও বাড়ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মদদে ন্যাটোর সম্প্রসারণ, পুতিনের আক্রমণ, তারপর যুদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্র প্রথম দিকে ইউক্রেনকে অর্থ ও অস্ত্র দিয়েছে ঋণ হিসেবে এবং বিনিময়ে দেশটির বিপুল সম্পদের মালিকানা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। একপর্যায়ে ট্রাম্প অর্থ ও অস্ত্রের জোগান বন্ধ করে দেন। কারণ, বিনিময়ে নেওয়ার মতো এত সম্পদ ইউক্রেনের নেই। এখন যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে ইউরোপ। ফলে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত ইউরোপ।

যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এই ফাঁদ বা দুষ্টচক্র উদ্‌ঘাটন করার এবং তা থেকে বেরিয়ে আসার জ্ঞান, বুদ্ধি ও মেধা ইউরোপীয় নেতাদের আছে। কিন্তু তাঁরা পারছেন না কেন?

ইউরোপের রয়েছে বিপুল অর্থনৈতিক ক্ষমতা, উন্নত প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা এবং ব্যাপক বৈশ্বিক প্রভাব। কিন্তু অর্থনৈতিক ক্ষমতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভূরাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসন এনে দেয় না। ইউরোপকে তার অর্থনৈতিক শক্তিকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো রাজনৈতিক সক্ষমতায় রূপান্তর করতে হবে।

এ প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন প্রফেসর স্যাক্স। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় নিরাপত্তার প্রধান ‘গ্যারান্টার’ হয়ে উঠেছিল। সে সুযোগে ইউরোপসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন, অস্ত্রের মজুত এবং সৈন্য মোতায়েন করেছিল এবং তা বজায় রেখেছিল। এই বাস্তবতা ইউরোপীয় দেশগুলোর নেতাদের মনে একটি গভীর মনস্তাত্ত্বিক দুর্বলতা তৈরি করেছে। এত বছর পরও তারা এই মনস্তাত্ত্বিক বাধা অতিক্রম করতে পারছেন না। যুক্তরাষ্ট্রকে বলতে পারছেন না সামরিক ঘাঁটিগুলো তুলে নিতে। জেফ্রি স্যাক্স ইউরোপীয় এক নেতার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘আমেরিকা আমাদের নাবালক মনে করে, ছোট ভাই মনে করে।’ অতএব সাহস করে ‘বড় ভাইয়ের’ কাছে সামরিক ঘাঁটি তুলে নেওয়ার কথা কীভাবে বলবে?

আমেরিকার ওপর ইউরোপের নির্ভরতার একটি বাস্তব উদাহরণ দেন ডাচ ইতিহাসবিদ রুটগার ব্রেগম্যান। তিনি বলেন, ইউরোপ তো শক্তিহীন হয়ে যাচ্ছে। বড় বড় প্রায় সব বহুজাতিক কোম্পানিই মার্কিনদের। রসিকতা করে তিনি বলেন, ইউরোপ এখন শুধু ‘হ্যান্ডব্যাগের মহাদেশ’; কোনো হার্ডওয়্যার এখানে নেই। কিছুদিন আগে ইউরোপ এআই-সংক্রান্ত আইন করেছে, কিন্তু উল্লেখযোগ্য কোনো এআই কোম্পানি এখানে নেই। আমেরিকার কোম্পানি কেন ইউরোপের আইন মানবে? তিনি বলেন, স্বল্প শক্তিধর দেশ বেশি শক্তিধর দেশের ওপর নির্ভরশীল হবে—এটাই স্বাভাবিক। অতএব আমেরিকার প্রভাবমুক্ত হতে হলে ইউরোপকে নিজের শক্তি বাড়াতে হবে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গড়ে তোলা হয়েছিল ন্যাটো

প্রফেসর স্যাক্স বিশেষ করে রাশিয়ার সঙ্গে ইউরোপের অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং চীনের প্রতি ইউরোপের দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, ইউরোপের অর্থনৈতিক স্বার্থকে অনেক সময় বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক অগ্রাধিকারের কাছে বলি দেওয়া হয়েছে। কেউ এই ব্যাখ্যা মেনে নিক বা না নিক, মূল সমস্যাটি বাস্তব: অর্থনৈতিক পারস্পরিক নির্ভরতা যেমন সমৃদ্ধি আনতে পারে, তেমনি অন্য কোনো শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কৌশলগত দুর্বলতা তৈরি করতে পারে।

আমরা বলব, ইউরোপকে আমেরিকাবিরোধী, রাশিয়াপন্থী বা চীনপন্থী হতে হবে না। তাদের স্রেফ নিজেদের হয়ে কথা বলার ক্ষমতা অর্জন করতে হবে। দিন শেষে এটিই বড় বৈপরীত্য বা প্যারাডক্স। ইউরোপের রয়েছে বিপুল অর্থনৈতিক ক্ষমতা, উন্নত প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা এবং ব্যাপক বৈশ্বিক প্রভাব। কিন্তু অর্থনৈতিক ক্ষমতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভূরাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসন এনে দেয় না। ইউরোপকে তার অর্থনৈতিক শক্তিকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো রাজনৈতিক সক্ষমতায় রূপান্তর করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্র সঙ্গে নেই, ইউরোপ এখন কোন পথে যাবে?ট্রাম্প কি ইতিহাসের গতি বদলে দেবেন, কী করবে ইউরোপ?

ইউরোপের বর্তমান প্রতিরক্ষাবিষয়ক বিতর্ক এই দ্বন্দ্বকে আরও স্পষ্ট করে তোলে। ইউরোপীয় দেশগুলোকে নিজেদের প্রতিরক্ষার জন্য আরও বেশি দায়িত্ব নিতে বলা হচ্ছে, অথচ এই প্রচেষ্টার বড় একটি অংশ সাজানো হচ্ছে ন্যাটোর কাঠামোর ভেতরেই। যে ইউরোপ প্রতিরক্ষায় বেশি অর্থ খরচ করেও স্বাধীন কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে অক্ষম থাকবে, তাদের সামরিক সক্ষমতা হয়তো বাড়বে, কিন্তু পররাষ্ট্রনীতিতে কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন অর্জন সম্ভব হবে না।

তাই হয়তো সবচেয়ে কার্যকর প্রশ্নটি এটি নয় যে ইউরোপকে ‘আমেরিকার সঙ্গে’ থাকতে হবে নাকি ‘আমেরিকার বিরুদ্ধে’। বরং প্রশ্নটি হলো—ওয়াশিংটনের সঙ্গে কখন সহযোগিতা করতে হবে আর কখন একটি স্বাধীন ইউরোপীয় অবস্থান নিতে হবে, তা বেছে নেওয়ার মতো যথেষ্ট সক্ষমতা ইউরোপ অর্জন করতে পারে কি না।

এর জন্য কেবল সামরিক খরচ বাড়ানোই যথেষ্ট নয়। এর জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক সংহতি, কূটনৈতিক আত্মবিশ্বাস, অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং সার্বিক ইউরোপীয় স্বার্থকে সুস্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করার মানসিকতা।

বিষয়টি কেবল ইউরোপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর জন্য ক্রমবর্ধমান বিভাজিত আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় একটি স্বায়ত্তশাসিত ইউরোপ অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক ক্ষমতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর জন্য এটি বাণিজ্য, উন্নয়ন অর্থায়ন, প্রযুক্তি, জ্বালানি, জলবায়ুনীতি এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

  • এন এন তরুণ রাশিয়ার সাইবেরিয়ান ফেডারেল ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির ভিজিটিং প্রফেসর এবং সাউথ এশিয়া জার্নালের এডিটর অ্যাট লার্জ। [email protected]

Read full story at source