মেটার মিউজ এআই এজেন্ট জনপ্রিয়তা পেলেও অ্যামাজন কেন নিষিদ্ধ করল

· Prothom Alo

মেটার এআই এজেন্ট ‘মিউজ’ উন্মোচনের মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ব্যবহারকারীর হয়ে ই–মেইল পাঠানো, ভ্রমণের টিকিট বুক করা, অনলাইনে পণ্য কেনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ডিজিটাল কাজ করতে পারে এই এআই এজেন্ট। ৮ সেপ্টেম্বর চালুর পর মিউজ দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ স্টোরের শীর্ষে উঠে এসেছে। সেন্সর টাওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, দুই সপ্তাহে অ্যাপটি ২৫ লাখের বেশিবার ডাউনলোড করা হয়েছে। জনপ্রিয়তা পেলেও মিউজ এআই এজেন্টকে ঘিরে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে অনলাইনে পণ্য কেনার ক্ষেত্রে মিউজের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে অ্যামাজন।

অ্যামাজনের তথ্যমতে, মিউজ অনুমতি ছাড়াই অ্যামাজনের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে চায়, যা গ্রাহকের তথ্য ও নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। নিরাপত্তা গবেষকেরা মিউজের ম্যাকওএস অ্যাপে একটি ত্রুটি শনাক্ত করার কথা জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, ওই ত্রুটি কাজে লাগিয়ে কম্পিউটারে থাকা ক্ষতিকর সফটওয়্যার মিউজের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করতে পারে।

Visit newsbetting.bond for more information.

মেটার তথ্যমতে, মিউজ মূলত এমন একটি এআই এজেন্ট, যা ব্যবহারকারীর নির্দেশ পাওয়ার পর নিজে থেকে একাধিক ধাপে কাজ সম্পন্ন করতে পারে। মিউজ স্পার্ক মডেল দিয়ে তৈরি এই এআই এজেন্টকে সাধারণ চ্যাটবটের চেয়ে ভিন্নভাবে ব্যবহার করা যায়। কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি এটি ব্যবহারকারীর হয়ে অনলাইনে বিভিন্ন ফরম পূরণ, ই–মেইলের ইনবক্স গোছানো, রান্নার রেসিপি থেকে বাজারের তালিকা তৈরি, অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পাঠানো বা অনলাইনে পণ্য কেনার মতো কাজ করতে পারে।

মিউজ এআই এজেন্টের ব্যবহার নিষিদ্ধ করায় অ্যামাজনের ওয়েবসাইটে মিউজ দিয়ে পণ্য কেনার চেষ্টা করলে ব্যবহারকারীরা একটি সতর্কবার্তা দেখতে পাচ্ছেন। সেখানে বলা হচ্ছে, মিউজ একটি ‘অননুমোদিত এআই এজেন্ট’ এবং এর মাধ্যমে অ্যামাজনে প্রবেশ প্রতিষ্ঠানটির ব্যবহারের শর্ত লঙ্ঘন করছে। অ্যামাজনের দাবি, মিউজ তাদের ওয়েবসাইটে প্রবেশের আগে কোনো অনুমতি নেয়নি। এমনকি মেটাও মিউজের বিষয়ে অ্যামাজনকে আগে জানায়নি। মিউজ গ্রাহকের লগইন তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে এবং অ্যাকাউন্টের তথ্য পরিবর্তন করতে পারে। এসব কারণে গ্রাহকের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় অ্যামাজনে এআই এজেন্টটির ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

Read full story at source