মনে মনে পড়া না শব্দ করে পড়া, কোনটা ভালো
· Prothom Alo

সাধারণত ছোটবেলায় আমরা জোরে শব্দ করে পড়ি। এতে সুবিধা হলো, বইয়ের লেখাগুলো ঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারছি কি না, তা আমাদের অভিভাবক বা শিক্ষকেরা শুনে বুঝতে পারেন এবং প্রয়োজনে সংশোধন করে দিতে পারেন। এদিক থেকে শব্দ করে পড়া ভালো। বইয়ে লেখা বাক্যগুলো নিজ থেকে নির্দিষ্ট কোনো ছন্দ বা অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে না। সশব্দে পড়লে পাঠক লেখার নিষ্প্রাণ অক্ষরগুলোকে আবেগ-অনুভূতি দিয়ে প্রকাশ করতে পারে। এদিক থেকে এর সুবিধা রয়েছে। তবে নীরবে পড়ারও কিছু সুবিধা রয়েছে। নিঃশব্দে দ্রুত পড়া যায় এবং তা সহজে মনে থাকে। সাধারণত একটু উঁচু ক্লাসের শিক্ষার্থীরা নীরবে পড়া সুবিধাজনক বলে মনে করে।
Visit newsbetting.bond for more information.
নিঃশব্দে দ্রুত পড়া যায় এবং তা সহজে মনে থাকেকোনো অনুচ্ছেদ সহজে শেখার জন্য শব্দ করে পড়লে ভালো না মনে মনে পড়লে ভালো, এ বিষয়ে আমেরিকায় একবার প্রথম ও দ্বিতীয় গ্রেডের ৮৯ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে পরীক্ষা চালানো হয়। দেখা যায়, এ দুইয়ের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই (সূত্র: সাইকোলজি ইন দ্য স্কুলস: অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড ইন্টারভেনশন অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং, খণ্ড ৪৮, সংখ্যা ১, পৃ. ৪-১৩, জানুয়ারি ২০১১)। সশব্দে পড়ার সুবিধা হলো যা পড়ছি, সেটা আবার কানে শুনে বুঝে নিচ্ছি। আর নীরবে পড়ার সুবিধা হলো কোনো বড় লেখার সবটুকু অংশ পড়ার প্রয়োজন না থাকলে দ্রুত প্রয়োজনীয় অংশে চোখ নিয়ে যেতে পারি। তাই বলা যায়, দুই ধরনের পড়ায় সুবিধা ও অসুবিধা দুই-ই আছে।
যে ৫ কারণে প্রতিদিন বই পড়া উচিত