ভারতের দায়িত্ব ছেড়ে কলকাতার কোচ হচ্ছেন ডেসকাট

· Prothom Alo

ভারতীয় ক্রিকেট দলের সঙ্গে পাট চুকিয়ে ফেললেও ভারত ছাড়ছেন না রায়ান টেন ডেসকাট। ভারতের সহকারী কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়ে নেদারল্যান্ডসের সাবেক এই ক্রিকেটার আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্সের কোচ হচ্ছেন। এই খবর দিয়েছে ক্রিকেট পোর্টাল ক্রিকইনফো।

Visit extonnews.click for more information.

চলতি মাসে ইংল্যান্ড সফর শেষেই ডেসকাট ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিসিআই) নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন। ওই সফরে টি-টুয়েন্টি ও ওয়ানডে—দুই সিরিজেই হারের মুখ দেখে ভারত। ডেসকাট এর আগেও কলকাতায় কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। আইপিএলে কলকাতার হয়ে খেলেছেনও।

খেলোয়াড় হিসেবে ২০১২ ও ২০১৪ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে আইপিএল জিতেছেন ডেসকাট। পরে ২০২২ সালে ফিল্ডিং কোচ হিসেবে আবারও ফ্র্যাঞ্চাইজিটিতে ফেরেন। ২০২৪ সালে গৌতম গম্ভীর মেন্টর এবং চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত প্রধান কোচ থাকাকালে আইপিএল শিরোপাজয়ী কলকাতার কোচিং প্যানেলেরও সদস্য ছিলেন তিনি।

২০২৪ সালে কলকাতার কোচিং প্যানেলে ছিলেন টেন ডেসকাট

আবার কলকাতায় ফিরে ডেসকাট কাজ করবেন অভিষেক নায়ারের সঙ্গে। ভারতীয় দলেও দুজন একসঙ্গে সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে কলকাতা নাইট রাইডার্সের কোচিং স্টাফেও দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁদের।

টানা ৫ ওভারে রান না দিয়ে উইকেট নিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গ্রিভসের

ডেসকাট ভারতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত হন ২০২৪ সালের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের পর। সেই বিশ্বকাপের পর প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের স্থলাভিষিক্ত হন গৌতম গম্ভীর। দায়িত্ব নেওয়ার পরই নিজের আস্থাভাজন টেন ডেসকাটকে ভারতীয় দলের কোচিং স্টাফে নিয়ে আসেন তিনি। জাতীয় দলে ডেসকাট ব্যাটিং ও ফিল্ডিং—দুই বিভাগেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

ভারতীয় দলের সহকারী কোচ হিসেবে টেন ডেসকাটের সময়টা ছিল সাফল্য ও ব্যর্থতার মিশেলে। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তাঁর অধীন ভারত উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায়। দল জেতে ২০২৫ সালের এশিয়া কাপ, পাশাপাশি ২০২৬ সালের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপেও শিরোপা ধরে রাখে।

তবে টেস্ট ক্রিকেটে চিত্র ছিল ভিন্ন। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি হারার পাশাপাশি ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৩-০ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ২-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই হয় ভারত।

‘সমস্যার বিপিএল’ আর করতে চায় না বিসিবি

Read full story at source