হাসন রাজার গানের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা
· Prothom Alo
রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে বসেছিল সুরের মেলা। মরমি সাধক হাসন রাজাকে উৎসর্গ করে এ বিশেষ সংগীতানুষ্ঠানের নাম দেওয়া হয় ‘প্রাণবন্ধের সনে’। এমডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশ ও স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ন্যাচারাল ওয়েলনেস ব্র্যান্ড ‘মায়া’ যৌথভাবে এ আসরের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে দেশি ও পশ্চিমা বাদ্যযন্ত্রের এক দারুণ মেলবন্ধন দেখা যায়। সেখানে নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা হাসন রাজার কালজয়ী গানগুলো পরিবেশন করেন। পুরো আয়োজনের সংগীত নির্বাচন, পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন শিল্পী শায়ান চৌধুরী অর্ণব। প্রেম, আধ্যাত্মিকতা আর মরমি দর্শনে মোহিত সেই সন্ধ্যার মুহূর্তগুলো নিয়ে এই ছবির গল্প।
Visit betsport24.es for more information.
অনুষ্ঠানের শুরুতে আমন্ত্রিত অতিথিদের উদ্দেশে স্বাগত বক্তব্য দিচ্ছেন এমডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক রুমানা চৌধুরীলোকসংগীত দেশের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম ভিত্তি। এর চর্চা ও প্রসারে স্কয়ার টয়লেট্রিজের দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের কথা জানান প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মালিক মোহাম্মদ সাঈদসংগীত পরিচালক শায়ান চৌধুরী অর্ণব শ্রোতাদের জানালেন হাসন রাজার গানগুলো কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে পরিবেশনের কথা। জনপ্রিয় গানের পাশাপাশি কিছু অপ্রচলিত কথা ও সুরের গানও ছিল এ আয়োজনে‘হাসন রাজা কয় আমি কিছু নই রে’—মাখন মিয়ার কণ্ঠে এ গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল সংগীতানুষ্ঠান।প্রেম ও মরমি ভাবধারার গান পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন শিল্পী কানিজ খন্দকার মিতুবগা তালেবের কণ্ঠে ‘থাকতে চাই ঠাকুরের কাছে’ ও ‘মাটির পিঞ্জিরার মাঝে বন্দী হইয়ারে’ গান দুটি এক আধ্যাত্মিক আবহ তৈরি করেহাসন রাজার সুর ও বাণীর মায়াজাল শ্রোতাদের নিয়ে যায় এক ভিন্ন ভাবাবেগের জগতেহাসন রাজার দর্শনের অন্য এক দিক তুলে ধরেন হামিদা বানু। তাঁর কণ্ঠে উঠে আসে রাজার অপ্রচলিত দুটি গানহাতে গিটার নিয়ে মঞ্চে ‘বাউলা কে বানাইলো রে’ গেয়ে দর্শকদের মাতিয়ে তোলেন শায়ান চৌধুরী অর্ণবদর্শকসারিতে দেখা যায় শোবিজ–জগতের পরিচিত মুখ ও তারকাদের‘নেশা লাগিল রে’ ও ‘আগুন লাগাইয়া দিল মনে’ গানে প্রেমের চিরচেনা আবেগ ছড়িয়ে দেন অনিমেষ রায়সব শিল্পীর সম্মিলিত কণ্ঠে ‘ছাড়িলাম হাসনের নাও রে’ গানের মাধ্যমে শেষ হয় মরমি সুরের এই বিশেষ সন্ধ্যা