খুলনায় যুবদলের সাবেক নেতাকে হঠাৎ গুলি করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা

· Prothom Alo

খুলনার বটিয়াঘাটায় দুর্বৃত্তের গুলিতে সোহেল শেখ (৩৪) নামের যুবদলের সাবেক এক নেতা আহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার বড় কড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পাকা সড়কে এ ঘটনা ঘটে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সোহেল শেখ বটিয়াঘাটা উপজেলার বড় কড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা গনি শেখের ছেলে। তিনি উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।

Visit palladian.co.za for more information.

খুলনায় এক দিনে তিন ঘটনা: যুবদল নেতা ও মুদিদোকানিকে গুলি, ক্লিনিকে ভাঙচুর

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে মোটরসাইকেলে বসে ছিলেন সোহেল শেখ। এ সময় দুর্বৃত্তরা হঠাৎ তাঁকে লক্ষ্য করে পিস্তল দিয়ে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। এতে তাঁর ডান হাত ও পেটের ডান পাশে গুলি লাগে।

পরে স্থানীয় লোকজন সোহেলকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে সার্জারি ইউনিট-১-এর ৯ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁকে ভর্তি করা হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ১০ মাসে খুলনায় ৭১ জনকে গুলি, কুপিয়ে বা অন্য উপায়ে হত্যা করা হয়েছে। এসব ঘটনায় মামলা হয়েছে ৬৯টি। একই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি নিহত হওয়ায় মামলা ও নিহত ব্যক্তির সংখ্যায় পার্থক্য আছে।

সোহেল শেখের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য, বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও মারামারিসহ সাতটি মামলার তথ্য আছে পুলিশের কাছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির সিদ্দিকী বলেন, সোহেলকে গুলির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।

এর আগে ২৪ অক্টোবর খুলনার তেরখাদা উপজেলায় দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে রামিম বিশ্বাস (৩২) নামের যুবদলের এক নেতা আহত হন। মোটরসাইকেলে এসে দুর্বৃত্তরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

খুলনায় সকালে যুবদল নেতাকে, সন্ধ্যায় দোকানিকে গুলি

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ১০ মাসে খুলনায় ৭১ জনকে গুলি, কুপিয়ে বা অন্য উপায়ে হত্যা করা হয়েছে। এসব ঘটনায় মামলা হয়েছে ৬৯টি। একই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি নিহত হওয়ায় মামলা ও নিহত ব্যক্তির সংখ্যায় পার্থক্য আছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বেশির ভাগ হত্যাকাণ্ডের পেছনে অস্ত্র ও মাদক কারবার, চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ, পূর্বশত্রুতা ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরোধ কাজ করেছে।

খুলনায় মোটরসাইকেলে এসে গুলি, যুবদল নেতা আহত

Read full story at source