দুই কোরালের ওজন সাড়ে ২৩ কেজি, বিক্রি হলো ৩০ হাজার টাকায়
· Prothom Alo
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার কবির আহমদ চৌধুরী বাজারে দুটি কোরাল বিক্রি হয়েছে ৩০ হাজার ৪২০ টাকায়। সাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়ে মাছ দুটি। আজ মঙ্গলবার সকালে ও গতকাল সোমবার মাছ দুটি বিক্রি করেন বাজারের ব্যবসায়ী সেলিম বাহাদুর।
Visit newsbetsport.bond for more information.
বাজারের বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ সকালে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর ছনুয়া এলাকার জেলে শফি আলম ১০ কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের একটি কোরাল নিয়ে বাজারে আসেন। মাছ ব্যবসায়ী সেলিম বাহাদুর প্রতি কেজি ১ হাজার ২৫০ টাকা দরে মাছটি ১৩ হাজার টাকায় কিনে নেন। পরে প্রতি কেজি ১ হাজার ৩০০ টাকা দরে এক প্রবাসীর কাছে মাছটি ১৩ হাজার ৫২০ টাকায় বিক্রি করেন।
এর আগের দিন সোমবার সকালে পেকুয়ার মগনামা ইউনিয়নের শরৎঘোনা এলাকার জেলে আকতার আহমদ ১৩ কেজি ওজনের আরেকটি কোরাল মাছ নিয়ে বাজারে আসেন। সেলিম বাহাদুর সেই মাছটিও প্রতি কেজি ১ হাজার ২৫০ টাকা দরে কিনে নেন। পরে বাঁশখালী উপজেলা সদরের ‘রয়েল হান্ডি’ নামের একটি রেস্তোরাঁর মালিকের কাছে মাছটি ১৬ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি হয়।
আজ মঙ্গলবার সকালে বাজারে গিয়ে দেখা যায়, সাড়ে ১০ কেজি ওজনের কোরালটি ঘিরে রেখেছেন ক্রেতারা। কেউ মাছটি স্পর্শ করে দেখছেন, কেউ কোলে নিয়ে ছবি তুলছেন। মাছের ওজন ও দাম জিজ্ঞেস করতে দেখা যায় কয়েকজনকে। পরে মাছটি বিক্রি হয়ে যায়।
মাছ ব্যবসায়ী সেলিম বাহাদুর জানান, বঙ্গোপসাগরে এখন প্রায় বড় আকারের কোরাল ধরা পড়ছে। ১৩ কেজি ওজনের মাছটি উজানটিয়ার ডওয়াখালী পয়েন্ট এবং ১০ কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের মাছটি বাঁশখালীর ছনুয়া পয়েন্টে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে।
পেকুয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ বলেন, ‘মাঝেমধ্যে জেলেদের জালে বড় আকারের কোরাল ধরা পড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। সমুদ্রের সম্পদকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে দেশের মানুষ উপকৃত হবে।’