তালিকা করবে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো, চাঁদাবাজি–সন্ত্রাসে ছাড় নয়: আইজিপি
· Prothom Alo

মাদক, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেন, প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ ও সন্ত্রাসীদের তালিকা তৈরি করবে। চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
আজ সোমবার রাতে নারায়ণগঞ্জ শহরের মিশনপাড়া এলাকায় রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন আইজিপি।
Visit asg-reflektory.pl for more information.
আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেন, প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় গোয়েন্দা সংস্থা—ডিজিএফআই, এনএসআই ও পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) অপরাধীদের তালিকা করবে। কয়েকজন অপরাধীর কারণে সমাজে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হয়, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। দীর্ঘ মেয়াদে তারা যাতে জামিন না পায়, সেটাও আদালত নিশ্চিত করবেন।
মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে আইজিপি বলেন, মাদকের কারণে তরুণদের একটি অংশ অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা পরিবারের সদস্যদের ওপরও নির্যাতন চালাচ্ছেন। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সন্তানদের চলাফেরার বিষয়ে খোঁজখবর রাখতে হবে অভিভাবকদের। তারা কার সঙ্গে মিশছে, সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।
আলী হোসেন ফকির বলেন, কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে পাড়ায় পাড়ায় কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্কুল-কলেজেও মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য কমিটি গঠনের উদ্যোগ রয়েছে। তরুণেরা মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছেন। এই ইয়াবার কারণে খুন হচ্ছে।
দেশে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাঝুঁকি আছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘পূজায় কোনো হুমকি নেই। তবে কিছু দুষ্ট চক্র যাতে অপতৎপরতা চালাতে না পারে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক রয়েছে। আশা করছি, সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পূজা সম্পন্ন হবে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মনিরুজ্জামান মিঞা, পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, আমলাপাড়া পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি প্রবীর কুমার সাহা প্রমুখ।