কেন পাঠকপ্রিয়, কেন কালোত্তীর্ণ তারাশঙ্কর

· Prothom Alo

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনা যেমন ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেছে, তেমনি সময়ের পরীক্ষা পেরিয়ে কালোত্তীর্ণতার মর্যাদাও পেয়েছে। সহজ করে বললে তারাশঙ্কর একই সঙ্গে পাঠকপ্রিয়, জনপ্রিয় ও কালোত্তীর্ণ সাহিত্যিক। আজও তাঁর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। মানের বিচারের দিক থেকে তাঁর সমালোচকেরাও এ কথা অস্বীকার করতে পারবেন না। সাধারণত বাণিজ্যিক পাঠকপ্রিয়তা ও শিল্পমানকে দুটি ভিন্ন মেরুর মনে করা হলেও, তারাশঙ্করের কলমে এই দুইয়ের সংমিশ্রণ ঘটেছে। কীভাবে এটা সম্ভব হলো? তারাশঙ্কর কেন আলাদা? কেন তিনি একই সঙ্গে পাঠকপ্রিয় ও কালোত্তীর্ণ?

বিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্য থেকে নজর বুলিয়ে এলে বুঝতে বেগ হবে না যে তারাশঙ্কর তাঁর সময়ে তো বটেই এখনো, এই সময়েও ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার হিসেবে কিংবদন্তিতুল্য। তাঁর আবির্ভাব বাংলা সাহিত্যে যোগ করেছে সোনার ফসল। প্রায় চার দশকের সাহিত্যসাধনা দিয়ে বাংলা কথাসাহিত্যকে বিশাল মহাকাব্যিক ব্যাপ্তি দান করেছেন এই শব্দশিল্পী। বিশেষ করে রবীন্দ্রোত্তর বাংলা সাহিত্যের ত্রয়ী; তারাশঙ্কর, মানিক ও বিভূতিভূষণের মধ্যে তারাশঙ্কর অন্যতম স্বতন্ত্র ধারার স্রষ্টা। তাঁর রচনায় মাটির কাছাকাছি থাকা মানুষের জীবনের ঘনঘটা এত বিস্তৃতভাবে বিস্তার পেয়েছে, যা আঞ্চলিক সাহিত্যের প্রভাবকে ত্বরান্বিত করেছে।

Visit newsbetting.club for more information.

তারাশঙ্কর ছাত্রজীবনে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে আকৃষ্ট হয়েছিলেন। মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দিয়ে ১৯২১ সালে কারাভোগ করেন। তারপর সরাসরি যুক্ত হন বাংলার কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে। ১৯৩০ সালের আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে গ্রেপ্তার হন। কারাবাসের তিক্ত অভিজ্ঞতা এবং রাজনীতির উপদলীয় কোন্দল ও সংঘাত ধীরে ধীরে রাজনীতির প্রতি তাঁকে বীতশ্রদ্ধ করে তোলে। কারামুক্তির দিনই প্রতিজ্ঞা করেন, সাহিত্যসাধনার মধ্য দিয়েই মানুষের মুক্তির কথা বলবেন। উল্লেখ্য, পাষাণপুরী ও চৈতালী ঘূর্ণি এই সময়ের রচনা। ফলে তাঁর উপন্যাসে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার ছবি সহজাতভাবে চিত্রিত হয়েছে। ধাত্রী দেবতার কথাও বলা যায়। শিবনাথ চরিত্রের মধ্য দিয়ে উপন্যাসটিতে স্বাধীনতা আন্দোলনের যে আবেগ ও জাতীয়তাবোধের দৃঢ়তা প্রস্ফুটিত হয়েছে তা বিস্মিত করে।

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
লেখায় উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও সমাজের প্রান্তিক মানুষের জীবন এবং তাদের ছোট–বড় গুণ ও মহত্ত্বকে ফুটিয়ে তুলতে তারাশঙ্করের দক্ষতা ঈর্ষণীয়। উপরন্তু মানুষের প্রবৃত্তি, নিয়তি এবং সহমর্মিতার মেলবন্ধনের মহৎ দিকটিও লেখনীর মধ্য দিয়ে উপলব্ধি করানোর চেষ্টা করেছেন। তাই তাঁর চরিত্ররা নিয়তির কাছে যেমন অসহায়, তেমনি জীবনসংগ্রামে প্রত্যয়ীও।

তাঁর রচনায় প্রত্যন্ত গ্রামীণ জীবন যেমন ভাষা পেয়েছে, তেমনি লোকাচার, প্রথা, ধর্মবিশ্বাস ও ভাষার বিবর্তনও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আলোকিত হয়েছে। সাঁওতাল, বাগদি, বোষ্টম, বাউরি, ডোম, বেদে, পটুয়া, কাহারদের জীবনযাত্রার ছবি দারুণভাবে এঁকেছেন তারাশঙ্কর। ফুটিয়ে তুলেছেন গ্রামবাংলার সামাজিক ভাঙন, মূল্যবোধের সংঘাত, শ্রেণিচেতনা এবং নিম্নবর্গীয় মানুষের জীবনসংগ্রাম ও অস্তিত্বের সংগ্রামও।

আঞ্চলিক ভাষার সহজ সাবলীল ব্যবহারের কৌশলও প্রশংসাযোগ্য। স্থানীয় উপভাষা চরিত্রগুলোর মুখে এত স্বাভাবিকভাবে তিনি ব্যবহার করেছেন যে আঞ্চলিক পটভূমিকে তা আরও জীবন্ত করে তুলেছে। কবিয়ালদের গান, ঝুমুর দলের জীবন, গ্রাম্য নানা আচার-অনুষ্ঠান ও সংস্কারের নানা দিক কোনো রকম ভণিতার আশ্রয় না নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই তুলে ধরেছেন। আর সমাজ-সংস্কৃতি তুলে ধরার এই বৈচিত্র্যময়তা তারাশঙ্করের রচনাকে বহুমাত্রিক করে তুলেছে।

সামাজিক পরিবর্তনের দিকে দৃষ্টি দিলেও দেখা যাবে, এই জায়গাটিও দারুণভাবে তুলে ধরেছেন তারাশঙ্কর। এর পেছনে কারণ হতে পারে, নিজের চোখে দেখা জমিদারি প্রথার অবসান ও নতুন এক ধনিক শ্রেণির উদ্ভব। ফলে গ্রামের চিরায়ত স্থিতিশীল সমাজের ভাঙন ও যন্ত্রনির্ভর নগরজীবনের বিকাশের মধ্যকার অর্থনৈতিক ও নৈতিক দ্বন্দ্ব, খুব সহজেই তাঁর রচনার উপজীব্য হয়েছে।

শ্রেণিসংঘাতের বিষয়টিও আলাদাভাবে নজর পাওয়ার দাবি রাখে। কারণ, লেখায় উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও সমাজের প্রান্তিক মানুষের জীবন এবং তাদের ছোট–বড় গুণ ও মহত্ত্বকে ফুটিয়ে তুলতে তারাশঙ্করের দক্ষতা ঈর্ষণীয়। উপরন্তু মানুষের প্রবৃত্তি, নিয়তি এবং সহমর্মিতার মেলবন্ধনের মহৎ দিকটিও লেখনীর মধ্য দিয়ে উপলব্ধি করানোর চেষ্টা করেছেন। তাই তাঁর চরিত্ররা নিয়তির কাছে যেমন অসহায়, তেমনি জীবনসংগ্রামে প্রত্যয়ীও।

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘হাঁসুলি বাঁকের উপকথা’ উপন্যাসের প্রচ্ছদ
রচনারীতির দিক থেকে তারাশঙ্কর সহজ ও গতিশীল, ব্যাপ্তির দিক থেকে মহাকাব্যিক। তাঁর বর্ণনা ক্ষীণ কিন্তু সুদূরপ্রসারী। তিনি চিরায়ত ঐতিহ্যকে অনুসরণ করে সমাজ ও জীবনের ক্ষয়িষ্ণুতাকে গভীর বেদনার সঙ্গে উপলব্ধি করেছেন। তাঁর নিতাই, বনওয়ারী, করালী, জীবন মশায় চরিত্রগুলো বাংলা সাহিত্যের চিরন্তন সম্পদ। মানবচরিত্রের জটিলতা, প্রেম, প্রতিহিংসা, কুসংস্কার ও মানবতাবাদের জয়গান তাঁর রচনার প্রধান সুর।

পুরাতনের সঙ্গে নতুনের দ্বন্দ্ব চিরন্তন। বিষয়টিকে কৌশলের সঙ্গে রচনায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন তারাশঙ্কর। তাঁর উপন্যাসে চিরায়ত সংস্কার, ধর্মবিশ্বাস এবং আধুনিক বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি বা নতুন মূল্যবোধের মধ্যে গভীর দ্বন্দ্ব রয়েছে। আরোগ্য–নিকেতন–এর উদাহরণ টানা যায়। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক জীবন মশায় এবং আধুনিক অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসক পৌত্রের মধ্যকার দ্বন্দ্ব মূলত চিরায়ত ভাবনা ও আধুনিক বিজ্ঞানের মধ্যকার সংঘাত। জীবন মশায়ের জীবনদর্শন, মৃত্যুচিন্তা এবং তাঁর পুরাতন চিকিৎসাপদ্ধতির প্রতি বিশ্বাস উপন্যাসের মূল উপজীব্য।

তারাশঙ্করের উপন্যাসের সংখ্যা ৬০–এর বেশি। গল্পও লিখেছেন প্রচুর। সৃষ্টি করেছেন বহু কালজয়ী চরিত্র ও কাহিনি। বীরভূমের কোপাই নদীর ‘হাঁসুলি বাঁক’ নামে পরিচিত অঞ্চলের মানুষের জীবন নিয়ে রচিত হাঁসুলি বাঁকের উপকথা উপন্যাসটি আঞ্চলিক সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ উদাহরণ। গণদেবতায় গ্রাম্য জীবনের রূপান্তর ও রাজনৈতিক চেতনার বিস্তারের প্রভাব লক্ষণীয়। সিক্যুয়েল পঞ্চগ্রাম-এ পঞ্চায়েতি ব্যবস্থার বিলুপ্তি, মধ্যস্বত্বভোগী ও মহাজন শ্রেণির উদ্ভবের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জাগরণ ও অধিকার বিষয়েও আলোকপাত আছে। কবি উপন্যাসের নিতাইয়ের কণ্ঠে লেখক ধ্বনিত করেছেন মানুষের চিরন্তন আক্ষেপের বাণী—

হায় এ খেদ মোর মনে
ভালবেসে মিটল না আশ—কুলাল না এ জীবনে।
জীবন এত ছোট কেনে? হায়—
জীবনে যা মিটল নাকো মিটবে কি তাই হায় মরণে?
এ ভুবনের কান্না যত হয় কি হাসি ও ভুবনে?
জীবন এত ছোট কেনে? হায়—

রচনারীতির দিক থেকে তারাশঙ্কর সহজ ও গতিশীল, ব্যাপ্তির দিক থেকে মহাকাব্যিক। তাঁর বর্ণনা ক্ষীণ কিন্তু সুদূরপ্রসারী। তিনি চিরায়ত ঐতিহ্যকে অনুসরণ করে সমাজ ও জীবনের ক্ষয়িষ্ণুতাকে গভীর বেদনার সঙ্গে উপলব্ধি করেছেন। তাঁর নিতাই, বনওয়ারী, করালী, জীবন মশায় চরিত্রগুলো বাংলা সাহিত্যের চিরন্তন সম্পদ। মানবচরিত্রের জটিলতা, প্রেম, প্রতিহিংসা, কুসংস্কার ও মানবতাবাদের জয়গান তাঁর রচনার প্রধান সুর।

তারাশঙ্কর যে নিজের ঘর ছেড়ে ঘরের বাইরে, দুয়ার ছেড়ে পৃথিবীর দুয়ারে পৌঁছাতে পেরেছেন, এখানেই কি তিনি আলাদা নন? তা ছাড়া উপন্যাসে, গল্পে জীবনকে দেখার সহজ, স্বাভাবিক দৃষ্টিও তাঁকে আলাদা করেছে। সাহিত্যের প্রান্তরে দিয়েছে নিজস্বতা, তৈরি হয়েছে তারাশঙ্করীয় রীতি।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘ঐকতান’ কবিতায় বলেছেন,

‘সাহিত্যের ঐকতান-সংগীতসভায়
একতারা যাহাদের তারাও সম্মান যেন পায়—
মূক যারা দুঃখে সুখে,
নতশির স্তব্ধ যারা বিশ্বের সম্মুখে।
ওগো গুণী,
কাছে থেকে দূরে যারা তাহাদের বাণী যেন শুনি।
তুমি থাকো তাহাদের জ্ঞাতি,
তোমার খ্যাতিতে তারা পায় যেন আপনারি খ্যাতি—
আমি বারংবার
তোমারে করিব নমস্কার।’


তারাশঙ্কর যে নিজের ঘর ছেড়ে ঘরের বাইরে, দুয়ার ছেড়ে পৃথিবীর দুয়ারে পৌঁছাতে পেরেছেন, এখানেই কি তিনি আলাদা নন? তা ছাড়া উপন্যাসে, গল্পে জীবনকে দেখার সহজ, স্বাভাবিক দৃষ্টিও তাঁকে আলাদা করেছে। সাহিত্যের প্রান্তরে দিয়েছে নিজস্বতা, তৈরি হয়েছে তারাশঙ্করীয় রীতি।
১৮৯৮ সালের ২৩ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামে জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। মাত্র আট বছর বয়সে পিতৃহীন হওয়ায় মা প্রভাবতী দেবী এবং বিধবা পিসিমা শৈলজা ঠাকুরাণীর স্নেহ-শাসনে বড় হন। পিতা হরিদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন তৎকালীন জমিদার সমাজের প্রতিনিধি। আর মা ছিলেন শিক্ষার প্রসারে আগ্রহী ও ধর্মশাস্ত্রের অনুরাগী।

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘কবি’ উপন্যাসের প্রচ্ছদ
তারাশঙ্কর শৈলজানন্দকে বলেছিলেন, দ্যাখো আমি জীবন আর সাহিত্যকে আলাদা করে দেখি না। গল্প-উপন্যাসে ভালো ভালো কথা বলব, নিজের জীবনে সেটা মানব না, সেটা কী করে সম্ভব? অগত্যা যা ঘটার তা–ই ঘটল। তারাশঙ্কর আটক হলেন। বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েও আপস করেননি এই কথাশিল্পী। মাথা উঁচু করে জেল বরণ করে নিয়েছিলেন।

সাহিত্যের পথে হেঁটে যেমন দুহাত ভরে দিয়েছেন, তেমনি পেয়েছেনও অনেক। ভূষিত হয়েছেন রবীন্দ্র পুরস্কার, সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার, পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণসহ নানা পদক ও পুরস্কারে। শুধু কি তাই? ১৯৭১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের জন্য সুইডিশ একাডেমি তাঁকে মনোনীত করেছিল বলে জানা যায়। তাঁর গল্প-উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে। সত্যজিৎ রায় পরিচালিত জলসাঘর এবং অভিযান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া তপন সিংহ হাঁসুলি বাঁকের উপকথা উপন্যাসটিকেও সফলভাবে চলচ্চিত্রে রূপান্তর করেছেন।

একটা ঘটনা দিয়ে লেখা শেষ করব। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে সাহিত্যিক শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিকথা মানুষ তারাশঙ্কর–এ পড়েছিলাম। স্বাধীনতা আন্দোলনের দামামা বাজছে চারদিকে। ইংরেজ ভারত ছাড়, কলরবে আকাশ-বাতাস মুখর। তারাশঙ্কর সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করলেন এই মহারণে। অনেকেই তাঁকে সক্রিয়ভাবে না জড়িয়ে পড়ার জন্য অনুরোধ, উপদেশ, পরামর্শ দিলেন। এই প্রসঙ্গে আলাপকালে তারাশঙ্কর শৈলজানন্দকে বলেছিলেন, দ্যাখো আমি জীবন আর সাহিত্যকে আলাদা করে দেখি না। গল্প-উপন্যাসে ভালো ভালো কথা বলব, নিজের জীবনে সেটা মানব না, সেটা কী করে সম্ভব? অগত্যা যা ঘটার তা–ই ঘটল। তারাশঙ্কর আটক হলেন। বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েও আপস করেননি এই কথাশিল্পী। মাথা উঁচু করে জেল বরণ করে নিয়েছিলেন। তাই প্রশ্ন জাগে গণদেবতার দেবু পণ্ডিতের মধ্যে কি নিজেকে খুঁজতে চেয়েছেন তারাশঙ্কর?

১৯৭১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর না–ফেরার দেশে পাড়ি জমান বাংলা কথাসাহিত্যের মহাকাব্যিক এই শিল্পী। কিন্তু সৃষ্টিশীল মানুষ সৃষ্টির মধ্য দিয়ে চিরভাস্বর হয়ে থাকেন।

Read full story at source