তিন আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, দুই আসামি রিমান্ডে

· Prothom Alo

সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাব হোসেনকে (৫৮) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামিসহ তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ছাড়া একই মামলায় গ্রেপ্তার আরও দুই আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়া তিন আসামি হলেন জহুরুল (৩২), আপন (২৬) ও জিহাদ (২৩)। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজুল ইসলাম সোহাগের আদালতে জহুরুল ও আপন এবং জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানভীর আহমদের আদালতে জিহাদ জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

Visit palladian.co.za for more information.

অন্যদিকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া দুই আসামি হলেন কাশেম আলী (৩৮) ও দাদি আল ফায়েত (১৯)। ঢাকার জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা সিদ্দিকার আদালত তাঁদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ঢাকা জেলা পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) আবু বকর সিদ্দিক প্রথম আলোকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আজ এই তিন আসামিকে আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার আমিনবাজার পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. জাকির আল আহসান। একই সঙ্গে অপর দুই আসামির ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তিনি। শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত দুই আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে সাভারের বরদেশী পশ্চিমপাড়ায় একটি গ্যারেজের সামনে অটোরিকশা রাখা নিয়ে তর্কাতর্কি হয়। তা থামাতে গিয়ে আসামিদের তোপের মুখে পড়েন পুলিশ কর্মকর্তা আলতাব হোসেন। প্রাণ বাঁচাতে তিনি ছেলের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘গ্র্যান্ড ফ্যাশন’-এ আশ্রয় নেন। পরে রাত আটটার দিকে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সেখানে হামলা চালান। রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আলতাব হোসেনকে গুরুতর জখম করা হয়। বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হন ছেলে আরিফুল ইসলাম। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আলতাব হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহত আলতাব হোসেনের স্ত্রী শিউলী পারভীন বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জাকির আল আহসান প্রথম আলোকে বলেন, এ মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত আসামি ৯ জন। আজ প্রধান আসামিসহ তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং দুজনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

Read full story at source