চেহারা পাল্টে ভক্তদের চমকে দিলেন ভিনিসিয়ুস

· Prothom Alo

বিশ্বকাপ শেষে মাঠের পারফরম্যান্স নয়, নতুন চেহারা নিয়েই আলোচনায় ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। কসমেটিক প্রসিডিওরের পর তাঁর বদলে যাওয়া লুক দেখে চমকে গেছেন ভক্তরা।

মাত্র কয়েক দিন আগে নরওয়ের কাছে হেরে শেষ ষোলো থেকেই বিশ্বকাপকে বিদায় জানিয়েছে ব্রাজিল। তারপর খেলোয়ারদের কেউ ছুটিতে, কেউ নতুন মৌসুমের প্রস্তুতিতে সময় কাটাচ্ছেন। এর মাঝেই প্রেমিকা ভার্জিনিয়া ফনসেকার সঙ্গে ব্রাজিলিয় তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নতুন ছবি দেখে ভক্তদের চোখ কপালে ওঠেছে।

Visit catcross.biz for more information.

কসমেটিক প্রসিডিওরের আগের ও পরের ছবি

কসমেটিক প্রসিডিওরের পর প্রকাশিত এই ছবিতে রিয়াল মাদ্রিদ তারকাকে প্রথম দেখায় চিনতেই পারেননি অনেক ভক্ত। আগের তুলনায় ভিনিসিয়ুসের চিবুক ও চোয়াল অনেক বেশি তীক্ষ্ণ ও স্পষ্ট। মুখের নিচের অংশও আগের চেয়ে বেশি সুগঠিত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ বলছেন, এটি প্লাস্টিক সার্জারি, কেউ আবার বলছেন, চেহারা পাল্টে ফেলেছেন ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ড।

ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম টিএমসি এসপোর্তে ও স্পেনের মার্কার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বকাপ শেষে গোইয়ানিয়ার একটি ক্লিনিকে ‘চিন হারমোনাইজেশন’ করিয়েছেন ভিনিসিয়ুস। এই প্রসিডিওরটি করেন ব্রাজিলের চর্মরোগ ও সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. আলেসান্দ্রো আলারকাও। চিকিৎসার পর তাঁর সঙ্গে ভিনিসিয়ুসের তোলা ছবিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

ডা. আলেসান্দ্রো আলারকাওয়ের সঙ্গে ভিনি

কী এই ‘চিন হারমোনাইজেশন’?

নাম শুনে অনেকেই এটিকে অস্ত্রোপচার ভাবছেন। তবে বিষয়টি ঠিক তা নয়।

মার্কার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিন হারমোনাইজেশন মূলত একটি কসমেটিক প্রসিডিওর। সাধারণত হায়ালুরোনিক অ্যাসিড ফিলার বা অনুরূপ উপাদান ব্যবহার করে চিবুক ও চোয়ালের আকৃতি আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও তীক্ষ্ণ দেখানোর চেষ্টা করা হয়। এতে মুখের গড়ন বদলে যেতে পারে, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে এতে প্রচলিত অস্ত্রোপচারের মতো কাটাছেঁড়া করতে হয় না।

View this post on Instagram

A post shared by OIA (@oiaaigo)

ডা. আলেসান্দ্রো আলারকাওয়ের ক্লিনিকও এই প্রসিডিওরকে ফেসিয়াল হারমোনাইজেশন–এর অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে। অর্থাৎ, এটি মুখের গঠনকে আরও নান্দনিক দেখানোর একটি চিকিৎসাপদ্ধতি, চোয়ালের হাড় পরিবর্তনের অস্ত্রোপচার নয়।

নতুন চেহারা, পুরোনো বিতর্ক

ভিনিসিয়ুসের নতুন ছবি প্রকাশের পর ভক্তদের প্রতিক্রিয়া ছিল মিশ্র। কেউ তাঁর নতুন লুকের প্রশংসা করছেন, আবার কেউ বলছেন, আগের চেহারাই বেশি স্বাভাবিক ছিল। তবে বেশি মন্তব্য এসেছে, প্রথম দেখায় কেউ তাঁকে চিনতেই পারেননি। অবশ্য কসমেটিক প্রসিডিওরের পরপরই কিছুটা ফোলাভাব থাকা স্বাভাবিক। তাই চিকিৎসকেরা বলছেন, কয়েক সপ্তাহ পরই চূড়ান্ত ফল বোঝা যায়।

এই পরিবর্তন একান্তই ভিনির সিদ্ধান্ত

সিদ্ধান্ত একান্তই ব্যক্তিগত

ভিনিসিয়ুস জুনিয়র নিজে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেননি। যদিও তাঁর নতুন চেহারা নিয়ে সমালোচনা ও ট্রল শুরু হয়েছে। অবশ্য এটা একান্তই ভিনির সিদ্ধান্ত, তিনি নিজেকে কীভাবে সবার সামনে উপস্থাপন করবেন।

Read full story at source