২৫ কেজি সোনার পা আর ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের আইফোন: দেখুন মেসি কী কী দামী ও অদ্ভুত জিনিস কেনেন
· Prothom Alo

এবারের বিশ্বকাপে মেসির 'ফিফা কেনা' নিয়ে হচ্ছে নানা আলোচনা ও ট্রল। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে কিছু না বলা গেলেও, মেসির কেনা দামী ও অদ্ভুত জিনিসগুলো সম্পর্কে জানা যায় বিভিন্ন সূত্র থেকে৷
Visit chickenroad-game.rodeo for more information.
২০১৩ সালে জাপানের খ্যাতনামা জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান গিনজা তানাকা লিওনেল মেসির বাঁ পায়ের আদলে ২৪ ক্যারেট খাঁটি সোনার একটি ভাস্কর্য তৈরি করে। এতে ব্যবহার করা হয়েছিল প্রায় ২৫ কেজি সোনা। সে সময় এর মূল্য ছিল প্রায় ৫.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।মেসির আসল পায়ের ছাঁচ থেকে ৩০০ গ্রাম ওজনের ৫০টি লিমিটেড এডিশন গোল্ডেন ফুট প্লেট তৈরি করা হয়। প্রতিটির ওপর খোদাই করা ছিল তাঁর স্বাক্ষর। একই সঙ্গে ১০০ গ্রাম ওজনের ১০০টি ছোট সোনার পায়ের রেপ্লিকাও তৈরি করা হয়েছিল। এই সংগ্রহগুলোর বিক্রির অর্থের একটি অংশ লিও মেসি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ২০১১ সালের জাপানের ভূমিকম্প ও সুনামিতে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের সহায়তায় দান করা হয়।বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মেসির সংগ্রহে রয়েছে কাস্টমাইজ করা ২৪ ক্যারেট সোনার একটি আইফোন। এর পেছনে খোদাই করা আছে আর্জেন্টিনা ও বার্সেলোনার লোগো, তাঁর জার্সি নম্বর ১০, স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো আর তিন ছেলে থিয়াগো, মাতেও ও চিরোর নাম।বিলাসবহুল ঘড়ির প্রতিও রয়েছে মেসির বিশেষ আগ্রহ। তাঁর সংগ্রহে রয়েছে রোলেক্স, পাটেক ফিলিপ, অডেমার পিগে ও জ্যাকব অ্যান্ড কো.–এর মতো বিশ্বের নামকরা ব্র্যান্ডের একাধিক দামী টাইমপিস। মাঠের বাইরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণীতে নিয়মিতই এসব ঘড়ি পরে দেখা যায় তাঁকে।পরিবার নিয়ে ভ্রমণের জন্য মেসির রয়েছে একটি কাস্টমাইজড ব্যক্তিগত জেট। জেটটির গায়ে লেখা আছে তাঁর জার্সি নাম্বার, আর সিঁড়িতে নিজের নাম, স্ত্রী আন্তোনেলা ও তিন ছেলের নাম। বিলাসবহুল এই জেটেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সফর করেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।