ব্রাজিল জাপানের কাছে হারবে— ভবিষ্যদ্বাণী করা জার্মান সেই অর্থনীতিবিদকে নেইমারের খোঁচা
· Prothom Alo

জোয়াকিম ক্লেমেন্তে পেশায় অর্থনীতিবিদ। কাজ করেন শেয়ারবাজার নিয়ে। তবে জার্মান এই অর্থনীতিবিদই গত তিনটি বিশ্বকাপে সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন নিয়ে করেছিলেন সঠিক পূর্বাভাস। এই বিশ্বকাপে ক্লেমেন্তে জাপানের কাছে হেরে ব্রাজিল বিদায় নেবে, এমন একটি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। সেটা আর হলো না! ম্যাচ শেষে তাই তাঁকে খোঁচা মারতে দেরি করেননি ব্রাজিল তারকা নেইমার।
এক্সে নেইমার জাপান ম্যাচ শেষে লিখেছেন, ‘জোয়াকিম ক্লেমেন্তে, দয়া করে আগামী বিশ্বকাপে আবার চেষ্টা করবেন।’ ক্লেমেন্তের ভবিষ্যদ্বাণী এক দিনে দুবার ধাক্কা খেয়েছে। এবারের বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডস চ্যাম্পিয়ন হবে বলে জানিয়েছিলেন ক্লেমেন্তে। অথচ ব্রাজিলের ম্যাচের দিনই নেদারল্যান্ডস মরক্কোর কাছে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নিয়েছে। এই ম্যাচের পর নেইমার আরও একটি পোস্ট দিয়েছেন। তিনি ক্লেমেন্তেকে খোঁচা মেরেছেন লিখেছেন, ‘আবারও ভুল।’
Visit grenadier.co.za for more information.
জার্মান অর্থনীতিবিদ জোয়াকিম ক্লেমেন্তেজাপান ম্যাচে অবশ্য নেইমার খেলেননি। ম্যাচ শেষে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, ম্যাচ সমতায় না ফিরলে তিনি নেইমারকে মাঠে নামাতেন। ২৯ মিনিটে জাপান এগিয়ে যাওয়ার পর ৫৬ মিনিটে সমতা ফিরিয়েছিলেন কাসেমিরো। তখন ১–১ সমতা চলে আসায় অতিরিক্ত সময়ের কথা ভেবে নেইমারকে বেঞ্চে রেখে দেওয়া হয় বলে জানান আনচেলত্তি। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচে তা প্রয়োজন হয়নি। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি গোল করে ব্রাজিলকে ২–১ গোলে জয় এনে দেন।
টাইব্রেকারে মহানাটকে ডাচদের কান্না, শেষ হাসি মরক্কোরজোয়াকিম ক্লেমেন্তে মূলত একটি গাণিতিক মডেল তৈরি করে পূর্বাভাস দেন। মূলত চারটি বিষয় সামনে রেখে এই মডেল করা। ১. মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি)—বিশ্বের সর্বত্রই ফুটবল খেলা হয়। তবে বিশ্বকাপের মতো আসরে সফল হতে হলে অবশ্যই ফুটবল অবকাঠামোর প্রয়োজন। আর সে জন্য বিনিয়োগ করতে হবে। ভালো মাঠ লাগবে, যেখানে তরুণ খেলোয়াড়েরা নিয়মিত খেলতে পারে।
: Neymar trolled economist Joachim Klement after Brazil beat Japan.
— The Touchline | (@TouchlineX) June 30, 2026
Klement, who correctly predicted the last three World Cup winners, had predicted Japan would knock Brazil out of the 2026 World Cup.
Brazil ended up winning 2-1, with Neymar posting on X:
"Mr.… pic.twitter.com/Z0Jr9waUJd
২. জনসংখ্যা—অধিক জনসংখ্যা একটি বড় পূর্বশর্ত। যে দেশের জনসংখ্যা বেশি, তাদের তরুণ প্রতিভার সংখ্যা বেশি। তবে ব্যতিক্রমও আছে। ৩. তাপমাত্রা—বেশি ঠান্ডা বা বেশি গরমের দেশগুলো ফুটবলে খুব বেশি সফল নয়। ফুটবল খেলার জন্য যে আদর্শ গড় তাপমাত্রা, তা হলো ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মূলত ইউরোপের দক্ষিণাঞ্চল এবং দক্ষিণ আমেরিকার তাপমাত্রা ফুটবলের জন্য ভালো। ৪. সমর্থকদের উপস্থিতি—স্টেডিয়ামে যে দলের সমর্থক বেশি থাকে, তারা বিশেষ সুবিধা পায়। খেলার জয়-পরাজয়েও এর প্রভাব পড়ে।
ব্রাজিলিয়ানরা বাংলাদেশকে ভালোবাসে, বললেন আলিসন