কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে, দুধকুমারের পানি বিপৎসীমার ওপরে

· Prothom Alo

ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। দুধকুমার নদের পানি সমতলে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দুধকুমার নদ অববাহিকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

Visit mchezo.co.za for more information.

আজ সোমবার সকাল ৯টায় কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্যমতে, জেলার প্রধান নদ-নদীগুলোর মধ্যে ধরলা নদীর পানি কুড়িগ্রাম পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯৩ সেন্টিমিটার, চিলমারী পয়েন্টে ৭৩ সেন্টিমিটার এবং তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে দুধকুমার নদের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

দুধকুমার নদের পানি বৃদ্ধির ফলে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকডাঙ্গা, ছিট পাইকেরছড়া ও চর বলদিয়া এবং নাগেশ্বরী উপজেলার চরবিষ্ণুপুর, বালাবাড়ি, চর লুছনি ও ফান্দরচর এলাকার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে নিচু এলাকার ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে, শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

নাগেশ্বরী উপজেলার চর লুছনি এলাকার বাসিন্দা আবদুল জব্বার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রোববার বিকেলের পর থেকে দুধকুমারের পানি হু হু করে বেড়ে ফসলি জমি ডুবে গেছে। বসতবাড়ির চারদিকে পানি হয়ে হাঁটাচলার পথ বন্ধ হয়ে অন্তত শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। গবাদিপশুর খাবার নিয়ে সবাই চিন্তায় আছে।

কুড়িগ্রাম পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টির ফলে সমতলে জেলার সব নদ-নদীর পানি বেড়েছে। দুধকুমার নদের পানি বেড়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে জেলার অন্যান্য নদ-নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে।

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ প্রথম আলোকে বলেন, উজানের ঢলে যেসব জায়গায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে, তাদের জন্য নগদ ২ লাখ টাকা এবং ১ হাজার ১০০ প্যাকেট শুকনা খাবার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রতিটি উপজেলার জন্য এক হাজার করে জিও ব্যাগ জরুরি ভাঙনরোধের জন্য প্রস্তুত আছে।

এক প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক বলেন, নয়টি উপজেলার জন্য দুই লাখ টাকা কিছুই নয়। প্রশাসনের কাছে যে টাকা ও খাবার ছিল, সব বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

Read full story at source