নেত্রকোনায় ২০ টন সরকারি চাল জব্দ, ট্রাকের চালক ও তাঁর সহকারী আটক

· Prothom Alo

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় প্রায় ২০ টন সরকারি চাল কালোবাজারে বিক্রিচেষ্টার অভিযোগে একটি ট্রাকসহ চালক ও তাঁর সহকারীকে আটক করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার হাঁসকুঁড়ি মৈদাম এলাকায় নেত্রকোনা-মদন সড়কে অভিযান চালিয়ে ট্রাকটি জব্দ করে পুলিশ।

Visit somethingsdifferent.biz for more information.

আটক চালকের নাম শামিম মিয়া (৩২)। তিনি সদর উপজেলার ছোট গাড়া এলাকার নাজিম উদ্দিনের ছেলে। তাঁর সহকারী হলেন ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ এলাকার ছপিল উদ্দিন আকন্দের ছেলে শাহিন মিয়া (৩৪)। আজ শুক্রবার সকালে নেত্রকোনা পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাত ১০টার দিকে মদন উপজেলা থেকে ৬৬৭ বস্তায় ২০ টন সরকারি চাল ট্রাকে নিয়ে বারহাট্টা উপজেলার একটি রাইস মিলে বিক্রির করা হচ্ছিল—এমন খবরে অভিযান চালায় পুলিশ। পরে হাঁসকুঁড়ি মৈদাম এলাকার সাম্য ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে সরকারি সিল যুক্ত ৬৬৭ বস্তা চালবোঝাই ট্রাকটি জব্দের পর চালক ও সহকারীকে আটক করা হয়।

খবর পেয়ে মদন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাওলিন নাহার ঘটনাস্থলে এসে নিশ্চিত করেন, চালগুলো সরকারি। পরে তিনি সেগুলো জব্দের নির্দেশ দিলে পুলিশ ট্রাকভর্তি চালসহ চালক ও সহকারীকে থানাহেফাজতে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে মদন উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়ের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান মদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেদবতী মিস্ত্রী।  

এ বিষয়ে জানতে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, চালকের ভাষ্যমতে, চালগুলো মদন খাদ্যগুদাম থেকে বারহাট্টা উপজেলার বাউসি তালুকদার রাইস মিলে নেওয়া হচ্ছিল। এ নিয়ে কোনো কাগজপত্র দেখাতেও পারছিলেন না তিনি। মূলত কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যেই চালগুলো নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

Read full story at source