কেন এত পাগল ছিলে?

· Prothom Alo

তুমি সামনের কাতারে লড়েছ—তরবারি হাতে,

Visit asg-reflektory.pl for more information.

ঢাল নিয়ে, ক্ষত নিয়ে বুকে–পিঠে,

সৈনিকের সাথে সৈনিক, মাটির সাথে মাটি,

রক্তের সাথে রক্ত মিশিয়ে দিয়েছিলে

তোমার ঘোড়ার ক্ষুরের ধুলোয়।

তবু কেন? কেন এই পাগলামি?

পৃথিবী জয় করবেই—

এই এক রক্তচক্ষুর দিব্যদৃষ্টি কেন?

কোন মোহনবাঁশির সুর ছিল ওপারে?

কোন স্বর্গের চাবি লুকানো ছিল পারস্যের ধুলোয়?

কোন অমৃত মিশেছিল সিন্ধুর ঢেউয়ে?

যুদ্ধের পরে যুদ্ধ, মৃত্যুর পরে মৃত্যু,

শুধু নামের পেছনে ছুটেছিলে তুমি—

‘আলেকজান্ডার’—

নামটা এত বড় করার কী দরকার ছিল, তোমার?

হাত বাড়ালেই ধরা যেত শত্রুর বুকের স্পন্দন,

তবু কেন তুমি আকাশ ছুঁতে চাইলে?

মাত্র বত্রিশটি বসন্ত ফুটেছিল তোমার জীবনে,

তার মাঝে কত লাশ, বিদ্বেষের আগুনে কত পোড়া দেশ—

ধূসর পৃথিবীকে উপহার দিলে।

সৈনিকের মতো লড়েছিলে, রাজার মতো স্বপ্ন দেখেছিলে,

পাগলের মতো বিশ্ব জয় করেছিলে—

তাতে কী হলো? সেই তো যেতে হলো পুরোনো

মাটির ঘরে, শূন্য হাতে—

যেখান থেকে কেউ কখনো ফেরেনি।

তখন বুঝেছিলে, অথবা বুঝতে পারোনি—

তোমার পাগলামির কোনো উত্তর হয় না।

শুধু এইটুকু জানা যায়:

যে বাঁচে বেশি দিন, সে জয় করে না।

যে জয় করে, সে বাঁচে না বেশি দিন।

তোমায় পেয়ে বসেছিল—

দীর্ঘ নয়, বড় হওয়ার নেশা।

আর সেই নেশার নামই ইতিহাস।

ইতিহাস বড় নির্মম,

তার কাছে কোনো প্রশ্ন নিয়ে যাওয়া যায় না,

তার সাথে কোনো তর্ক চলে না,

তার একতরফা সিদ্ধান্ত শুধু নীরবে মেনে নিতে হয়।

তুমি জানতে না? সময়ের মরুভূমিতে কোথাও কোনো গন্তব্য নেই,

আছে শুধু অনেক দূরের ডাক, আর এক অনন্ত প্রেমের প্রশ্ন—

‘কেন?’

দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: [email protected]

Read full story at source