আগের প্রকল্পগুলো ছিল স্বজনতোষী প্রকল্প: রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
· Prothom Alo

নতুন সরকারের প্রকল্প প্রণয়নে আমূল পরিবর্তন আসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তিনি বলেন, আগের প্রকল্পগুলো ছিল স্বজনতোষী পৃষ্ঠপোষকতার প্রকল্প। এখন পরিকল্পনার দার্শনিক ভিত্তি হবে অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ন বা সর্বজনের অংশগ্রহণ।
Visit newssport.cv for more information.
আজ বুধবার শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
সরকারের অর্থনৈতিক কৌশল প্রণয়নে গঠিত অ্যাডভাইজারি কমিটির প্রথম সভা আজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলন হয়।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, চলমান প্রকল্পগুলো নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। আগামী বছরের জুনের মধ্যে প্রকল্প বিশ্লেষণের কাজ শেষ হবে।
বর্তমান চলমান সংকটকে সুযোগে পরিণত করার জন্য বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা তৈরি করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি বলেন, আগে পরিকল্পনার নামে স্বরচিত ও স্বকল্পিত চমৎকার গল্প রচিত হয়েছে। এখন কর্মসংস্থান তৈরি হয়, এমনভাবে পরিকল্পনা করা হবে। সরকারি বিনিয়োগের সঙ্গে ব্যক্তি খাতের সমন্বয় থাকতে হবে।
জ্বালানি নিরাপত্তায় কৌশলগত পরিকল্পনার কথা জানিয়ে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় খাদ্যের পাশাপাশি জ্বালানি খাতেও কৌশলগত মজুত গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধানসহ বিদ্যুৎ–জ্বালানির নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে প্রধান লক্ষ্য।
এ ছাড়া নতুন করে পাঁচ বছরের কৌশলগত পরিকল্পনা তৈরি করা হবে বলে জানানো হয়। সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য মনজুর হোসেন জানান, দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে নতুন পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শেষ হবে।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি কাজের প্রতিবন্ধকতা হলে যেকোনো কিছু পুরোপুরি উচ্ছেদ করা যায় না। তাই চলমান প্রকল্পগুলো পুনঃসজ্জিত করা হবে।
এর আগে কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক পরিকল্পনা উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। তবে তিনি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না।