ফরিদপুরে পাটের গুদামে আগুন, ৩০ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি

· Prothom Alo

ফরিদপুরের সালথায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে একটি পাটের গুদামের ওপর পড়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩৫০ মণ পাট, ৩০ মণ মসুরের ডালসহ তিনটি দোকান পুড়ে গেছে। আজ শুক্রবার সকাল আটটার দিকে উপজেলা সদর সালথা বাজার পুরুরা সড়কের পাশে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

Visit saltysenoritaaz.com for more information.

ক্ষতিগ্রস্ত পাট ব্যবসায়ীর দাবি অনুযায়ী, আগুনে অন্তত ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। খবর পেয়ে সালথা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ক্ষতিগ্রস্ত পাট ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার পাটের গুদামের টিনশেড চালের ওপর দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে বিদ্যুতের তার টানানো ছিল। আজ সকাল সাড়ে সাতটার দিকে টিনের চালের ওপর বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ে আগুন ধরে যায়। পরে আগুন পাশের নজরুল ও মাসুদের আরও দুটি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে আমার ৩৫০ মণ পাট ও ৩০ মণ মসুরের ডাল পুড়ে যায়; যাতে অন্তত ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।’
সালথা বাজারের ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, সালথা বাজারের বিভিন্ন জায়গায় দোকান ও মার্কেটের ওপর এবং আশপাশ দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে তার টেনে বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে কর্তৃপক্ষ, যে কারণে মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটে।

তবে সালথা বিদ্যুৎ কার্যালয়ে এজিএম রেজাউল করিম বলেন, ‘আগুন লাগলেই পাবলিক আমাদের ওপর দোষ চাপিয়ে দেয়। ওখানে কীভাবে আগুন লেগেছে, তা সঠিকভাবে কেউ জানে না। এমনও তো হতে পারে যে গুদামের ভেতর থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুন ধরে যাওয়ার পর ওই তার ছিঁড়ে পড়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।’

সালথা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা আবদুল জলিল বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের উৎপত্তি। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দীন বলেন, ‘আমরা বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে কথা বলে বিদ্যুতের লাইনগুলো যাতে সঠিকভাবে স্থাপন করা হয়, সে ব্যাপারে কাজ করব। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সেদিকে সবাইকে লক্ষ রাখতে হবে।’

Read full story at source