বাড়ি যাচ্ছেন? ব্যাগে এসব জিনিস রাখতে পারেন

· Prothom Alo

ঈদে যাঁরা বাড়ি যাচ্ছেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিশ্চয়ই কিছু ভালো সময় কাটবে। কিন্তু যাত্রার ক্লান্তি কাটাতেই যদি ছুটি শেষ হয়ে যায়, তাহলে তো মুশকিল। ছোটখাটো চোট বা শারীরিক অসুস্থতায় উৎসবের আনন্দ যেন নষ্ট না হয়, সে জন্য প্রস্তুতি নিন এখনই। কী কী সঙ্গে নেবেন?

Visit solvita.blog for more information.

প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য

কাটাছেঁড়া বা আঁচড় লাগলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সঙ্গে রাখুন—
ব্যান্ডেজ ও ব্যান্ড–এইড: বিভিন্ন আকারের আঠালো ব্যান্ডেজ।
স্টেরিলাইজড গজ ও সার্জিক্যাল টেপ: তুলা ব্যবহারের চেয়ে গজ কাপড় নিরাপদ। কারণ, তুলার আঁশ অনেক সময় সংক্রমণে ভূমিকা রাখে।
কাঁচি ও চিমটা: ব্যান্ডেজ কাটার জন্য অথবা ত্বকে ঢুকে যাওয়া ক্ষুদ্র কাঁটা সরাতে কাজে লাগতে পারে।

‘ছেলেই আমার ডিপিএস’, বললেন পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম হওয়া শামীমের বাবা

প্রয়োজনীয় ওষুধ

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী একটি ছোট জিপ ব্যাগে নিচের ওষুধগুলো রাখুন—
বমি ও গ্যাস: হাইওসিন–জাতীয় (ভ্রমণ অসুস্থতা) ও অ্যান্টাসিড বা ওমিপ্রাজল (অ্যাসিডিটির জন্য)।
ব্যথা ও জ্বর: প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন।
অ্যালার্জি: অ্যান্টিহিস্টামিন–জাতীয় ওষুধ।
জীবনরক্ষাকারী ওষুধ: যাঁরা নিয়মিত প্রেশার বা ডায়াবেটিসের ওষুধ খান, তাঁরা অন্তত বাড়তি কয়েক দিনের সরবরাহ সঙ্গে রাখুন।

জীবাণুনাশক ও অ্যালকোহল ওয়াইপস

ক্ষতস্থান পরিষ্কার করতে অ্যান্টিসেপটিক লোশন (যেমন স্যাভলন বা ডেটল) এবং হাত জীবাণুমুক্ত করতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা অ্যালকোহল সোয়াব সঙ্গে রাখুন। এটি আপনাকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করবে।

খাদ্য ও পানি বিশুদ্ধকরণ

রাস্তার খাবার খেয়ে পেটের সমস্যা হওয়া সাধারণ বিষয়। তাই যা সঙ্গে রাখতে পারেন—
শুকনা খাবার: প্রোটিন বার, বিস্কুট বা শুকনা ফল।
পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট: যদি নিরাপদ পানি পাওয়ার নিশ্চয়তা না থাকে, তবে এই ট্যাবলেট ৩০ মিনিটে পানি পানযোগ্য করে তোলে।
ওআরএস বা খাওয়ার স্যালাইন: ডায়রিয়া বা পানিশূন্যতা রোধে কার্যকর।

থার্মোমিটার ও ব্যথার স্প্রে

হঠাৎ জ্বর মাপার জন্য থার্মোমিটার এবং পা মচকে গেলে বা পেশিতে টান লাগলে তাৎক্ষণিক আরাম পেতে পেইন কিলার স্প্রে বা কোল্ড প্যাক দারুণ কার্যকর।

ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি

ছোট টুথব্রাশ, টুথপেস্ট, সাবান ও ছোট তোয়ালে সঙ্গে রাখতে পারেন। এ ছাড়া নখ কাটার জন্য নেইল কাটার ও রেজার নিজেরটাই ব্যবহার করা উচিত, যেন অন্যের কাছ থেকে সংক্রমণ না ছড়ায়।

পাওয়ার ব্যাংক ও জরুরি নম্বর

যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া মানেই বিপদ। তাই শক্তিশালী পাওয়ার ব্যাংক সঙ্গে রাখুন। একটি কাগজে ফ্যামিলি ডাক্তার, নিকটস্থ হাসপাতাল ও পরিবারের সদস্যদের নম্বর লিখে রাখুন (ফোনের চার্জ শেষ হয়ে গেলে এটি কাজে দেবে)।

মশা বিতাড়ক বা রিপিলেন্ট

ডেঙ্গু বা ম্যালেরিয়ার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মসকিউটো রিপিলেন্ট ক্রিম বা স্প্রে ব্যাগে রাখুন, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত জরুরি।

দেশে ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পাননি, এখন হার্ভার্ডে পড়তে যাচ্ছেন আসিফ

সানস্ক্রিন ও সুরক্ষামূলক অনুষঙ্গ

প্রখর রোদে ত্বকের পোড়া ভাব কমাতে এসপিএফ ১৫+ সানস্ক্রিন, সানগ্লাস ও একটি প্রশস্ত হ্যাট বা ক্যাপ ব্যবহার করুন।

আরামদায়ক ভ্রমণের অনুষঙ্গ

ট্রাভেল পিলো: ঘাড়ব্যথা এড়াতে।
কমপ্রেশন সকস: চার ঘণ্টার বেশি যাত্রা করলে রক্ত জমাট বাঁধা রোধে এই বিশেষ মোজা পরতে পারেন।
স্লিপ মাস্ক ও নয়েজ ক্যানসেলিং হেডফোন: দীর্ঘ যাত্রায় একটু শান্তিতে ঘুমের জন্য।
আপনি যদি দেশের বাইরে যান, তবে ওষুধের প্রেসক্রিপশন ও ওষুধগুলো হাত ব্যাগে রাখুন, যেন বিমানবন্দরে কোনো ঝামেলা পোহাতে না হয়।

Read full story at source