সৎ গল্প হলে সরাসরি যোগাযোগ করুন

· Prothom Alo

ইন্ডাস্ট্রির বাইরে থেকে এসে অল্প সময়েই বলিউডে নিজের জায়গা করে নেওয়া রিচা চাড্ডা বরাবরই স্পষ্টভাষী। সম্প্রতি এক বিবৃতিতে স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়ে আবারও শিরোনামে এই অভিনেত্রী। রিচা বলেন, ‘স্বাধীন নির্মাতারা অনেক সময় ভাবেন, আমরা নাগালের বাইরে। অনেকেই ধরে নেন, আমার মতো অভিনেত্রীর কাছে পৌঁছানো কঠিন। বাস্তবে কিন্তু তা নয়। গল্পটা যদি সৎ হয় এবং উদ্দেশ্য পরিষ্কার থাকে, আমি অবশ্যই সেই প্রকল্পের অংশ হতে চাই।’

Visit hilogame.news for more information.

গল্পনির্ভর ও অর্থবহ সিনেমার প্রতি নিজের আগ্রহের কথাও নতুন করে উল্লেখ করেছেন রিচা। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই মূলধারার পাশাপাশি ভিন্ন ধারার ছবিতে কাজ করেছেন রিচা। তবে শুরুর দিকে এক তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেছেন তিনি। কারও নাম উল্লেখ না করে বলেন, যাঁকে তিনি গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন, সেই ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাঁর স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করেছিলেন। রিচার ভাষ্য, ‘ক্যারিয়ারের শুরুতেই বুঝেছিলাম, সবাই যে আপনার মঙ্গল চায়, তা নয়। অনেকেই আপনার সাফল্যে ভীত হয়ে পড়ে। তারা চায়, আপনি যেন সব সময় তাদের কাছে ঋণী হয়ে থাকেন।’

রিচা চাড্ডা। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

এই অভিজ্ঞতা তাঁকে নাড়া দিলেও তা থেকেই শিক্ষা নিয়েছেন বলে জানান রিচা। ‘ঘটনাটা আমাকে নিজের কণ্ঠস্বর ও সিদ্ধান্তকে রক্ষা করতে শিখিয়েছে। আর এতটা সরল না হতে,’ বলেন রিচা।
কিছুদিন আগে মুম্বাইয়ে এক সরকারি অনুষ্ঠানে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন রিচা। বৈঠকের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। এ প্রসঙ্গে রিচা বলেন, ‘চলচ্চিত্র জগতের একজন সদস্য হিসেবে প্রেসিডেন্ট মাখোঁ এবং তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। আমরা আলোচনা করেছি, কীভাবে দুই দেশে স্বাধীন সিনেমাকে আরও শক্তিশালী করা যায়।’

গাজায় যুদ্ধবিরতি চেয়ে ‘নিষিদ্ধ’ হয়েছেন এই হলিউড অভিনেত্রী

রিচি আরও বলেন, ‘একজন অভিনেত্রী ও প্রযোজক হিসেবে আমার ক্যারিয়ারে ফ্রান্সের জাতীয় চলচ্চিত্র ও অ্যানিমেটেড ইমেজ কেন্দ্র সিএনসির অবদানের জন্য ব্যক্তিগতভাবে আমি কৃতজ্ঞ। কারণ, “মাসান” এবং “গার্লস উইল বি গার্লস”—দুটি ছবিই ছিল ইন্দো-ফরাসি যৌথ প্রযোজনায়।’ রিচার ভাষায়, ‘ভারতে মানসম্মত সিনেমা তৈরিতে ফ্রান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আমি মুগ্ধ হয়েছি, কারণ প্রেসিডেন্ট (এমানুয়েল মাখোঁ) আমাদের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের কথা মন দিয়ে শুনেছেন এবং সিনেমার পরিবেশনায় দুই দেশের মধ্যে আরও ভালো সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছেন।’
সব মিলিয়ে বলা যায়, অভিনয়, প্রযোজনা ও স্পষ্ট বক্তব্য—সব মিলিয়ে রিচা চাড্ডা আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি শুধু পর্দার নায়িকা নন; সমসাময়িক চলচ্চিত্র ভাবনারও এক সক্রিয় কণ্ঠ।

রিচা চাড্ডা। ছবি: এএনআই

Read full story at source